♦#বাওবাব_গাছ,♦
♦মাদাগাস্কারের অন্যতম প্রধান গাছ।
আফ্রিকান সাভানাতেও প্রচুর জন্মায়।
♦এই গাছের গুঁড়ি খুবই রসালো। একেকটি গুঁড়ি ১ লাখ ২০ হাজার লিটার পানি ধরতে পারে। এই পানি স্থানীয় মানুষ ও অন্যান্য প্রানীর পিপাসা মেটায়।
♦গাছটি খাদ্য, বস্ত্র আর আশ্রয়ও দান করে! এর বাঁকল থেকে অগ্নি নিরোধক কাপড় তৈরি হয়। আর প্রশস্ত গাছের কোটর বাসগৃহ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
#বাওবাব_গাছ Adansonia গণের অন্তর্ভুক্ত। এই গাছ মূলত পাওয়া যায় শুষ্কভূমিতে। বিশেষত আফ্রিকা এবং আরবের মরু অঞ্চলের বৃক্ষহীন তৃণভূমিতে এই গাছ দেখা যায়। আফ্রিকা, আরব এবং অস্ট্রেলিয়া এর আদি নিবাস।
বৈশিষ্ট্য
এই গাছের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গাছটি একহারা গড়নের। মাটি থেকে বিশাল আকারের কাণ্ড লম্বা হয়ে সোজা উপরের দিকে উঠে গেছে। একেবারে মাথায় ঝোপঝাড়ের মতো কিছু ডালপালা ছড়ানো আছে। দেখে মনে হয় ছাতার মতো। তবে পাতাগুলো এমন যে দূর থেকে দেখে কেউ ভুল করে ভাবতে পারে গোড়া থেকে গাছটিকে উপড়ে নিয়ে মাথার দিকটা মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে এবং গাছের শিকড়বাকড়গুলো উপরের দিকে ছড়ানো। তবে বছরের বারো মাসের মধ্যে নয় মাসই এই গাছে কোনো পাতা থাকে না। পত্রমোচী বাওবাব শিমুল গোত্রীয়, তাই পাতা তদ্রূপ। শীতে পাতা ঝরে যায় তখন একে অনেকটা মরা গাছের মতো দেখায়।গ্রীষ্মের শেষে নতুন পাতা জন্মায়। এই গাছ উচ্চতায় প্রায় ৭৫ ফুট লম্বা হয়। মরু অঞ্চলের গাছ বলে খুব কম পানিতেই এর প্রয়োজন মিটে যায়। বর্ষাকালে এই গাছ তার দীর্ঘ কাণ্ডের মধ্যে পানি জমিয়ে রাখে। সবচেয়ে অবাক বিষয় হলো, এই গাছ কয়েক হাজার বছর বেঁচে থাকে।
উপকারিতা
বাওবাব গাছ মরু অঞ্চলের মানুষের অনেক উপকারে আসে। এই গাছের প্রতিটি অংশই মানুষের সরাসরি কাজে আসে। গাছের বাকল দিয়ে পোশাক ও শক্ত দড়ি তৈরি হয়। এই গাছের ফল খাওয়া যায় এবং পাতা থেকে চাটনি তৈরি করা যায়। এছাড়া এই গাছের পাতা থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধও তৈরি হয়। গাছের কাণ্ড এতো বিশাল যে, এর গুড়ির গর্তে মানুষ বসবাস করতে পারে। মরু ঝড়ে মানুষ এই গাছের গুড়ির গর্তে আশ্রয় নিয়ে থাকে।
তথ্য উইকিপিডিয়া
♦মাদাগাস্কারের অন্যতম প্রধান গাছ।
আফ্রিকান সাভানাতেও প্রচুর জন্মায়।
♦এই গাছের গুঁড়ি খুবই রসালো। একেকটি গুঁড়ি ১ লাখ ২০ হাজার লিটার পানি ধরতে পারে। এই পানি স্থানীয় মানুষ ও অন্যান্য প্রানীর পিপাসা মেটায়।
♦গাছটি খাদ্য, বস্ত্র আর আশ্রয়ও দান করে! এর বাঁকল থেকে অগ্নি নিরোধক কাপড় তৈরি হয়। আর প্রশস্ত গাছের কোটর বাসগৃহ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
#বাওবাব_গাছ Adansonia গণের অন্তর্ভুক্ত। এই গাছ মূলত পাওয়া যায় শুষ্কভূমিতে। বিশেষত আফ্রিকা এবং আরবের মরু অঞ্চলের বৃক্ষহীন তৃণভূমিতে এই গাছ দেখা যায়। আফ্রিকা, আরব এবং অস্ট্রেলিয়া এর আদি নিবাস।
বৈশিষ্ট্য
এই গাছের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গাছটি একহারা গড়নের। মাটি থেকে বিশাল আকারের কাণ্ড লম্বা হয়ে সোজা উপরের দিকে উঠে গেছে। একেবারে মাথায় ঝোপঝাড়ের মতো কিছু ডালপালা ছড়ানো আছে। দেখে মনে হয় ছাতার মতো। তবে পাতাগুলো এমন যে দূর থেকে দেখে কেউ ভুল করে ভাবতে পারে গোড়া থেকে গাছটিকে উপড়ে নিয়ে মাথার দিকটা মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে এবং গাছের শিকড়বাকড়গুলো উপরের দিকে ছড়ানো। তবে বছরের বারো মাসের মধ্যে নয় মাসই এই গাছে কোনো পাতা থাকে না। পত্রমোচী বাওবাব শিমুল গোত্রীয়, তাই পাতা তদ্রূপ। শীতে পাতা ঝরে যায় তখন একে অনেকটা মরা গাছের মতো দেখায়।গ্রীষ্মের শেষে নতুন পাতা জন্মায়। এই গাছ উচ্চতায় প্রায় ৭৫ ফুট লম্বা হয়। মরু অঞ্চলের গাছ বলে খুব কম পানিতেই এর প্রয়োজন মিটে যায়। বর্ষাকালে এই গাছ তার দীর্ঘ কাণ্ডের মধ্যে পানি জমিয়ে রাখে। সবচেয়ে অবাক বিষয় হলো, এই গাছ কয়েক হাজার বছর বেঁচে থাকে।
উপকারিতা
বাওবাব গাছ মরু অঞ্চলের মানুষের অনেক উপকারে আসে। এই গাছের প্রতিটি অংশই মানুষের সরাসরি কাজে আসে। গাছের বাকল দিয়ে পোশাক ও শক্ত দড়ি তৈরি হয়। এই গাছের ফল খাওয়া যায় এবং পাতা থেকে চাটনি তৈরি করা যায়। এছাড়া এই গাছের পাতা থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধও তৈরি হয়। গাছের কাণ্ড এতো বিশাল যে, এর গুড়ির গর্তে মানুষ বসবাস করতে পারে। মরু ঝড়ে মানুষ এই গাছের গুড়ির গর্তে আশ্রয় নিয়ে থাকে।
তথ্য উইকিপিডিয়া


0 Comments