"৬০ কেজি ওজন কমানোর গল্প ও ডায়েট চার্ট"
আসসালামু আলাইকুম
আমার নাম আব্দুল্লাহ আল সিয়াম। আমার উচ্চতা ৬"১। আমার জেলা বগুড়া। কিটো ডায়েট ও রোজার মাধ্যমে আমি আমার ৬০ কেজি ওজন কমিয়েছি। আমার ওজন ছিলো ১৪০ কেজি। ৮ মাস কিটো ডায়েট ও রোজা করার পর আমার ওজন হয়েছিলো ৮০ কেজি। এখন আমার ওজন ৮২ কেজি। এ গ্রুপের অনেকেই আমার ডায়েট চার্ট সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজ আমি আপনাদের আমার ডায়েট চার্ট সম্পর্কে বলবো। আমি কিটো ডায়েট সম্পর্কে জানতে পারি Dr.Eric Berg এর ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে ২০১৮ সালের জানুয়ারী তে। কিটো ডায়েটে খাবারের ৭০% চর্বি খেতে হয়। এ জন্য আমি প্রথম দিকে কিটো ডায়েট করতে ভয় পাচ্ছিলাম। আমি কিটো ডায়েট শুরু করি ২০১৯ এর জানুয়ারি থেকে। আমার ৬০ কেজি কমাতে ৭ থেকে ৮ মাস সময় লেগেছে। আমি সর্বমোট ৬৫ কেজি ওজন কমিয়েছিলাম। পরবর্তীতে আমি ৭ কেজি ওজন বাড়িয়েছি। আমি প্রতিদিন ফজরের নামাজ পরি। রাত ৪ টা থেকে সূর্য উঠা পর্যন্ত মানুষের শরীরে হরমোনের পরিবর্তন হয়। যার কারণে এ সময় জেগে থাকা জরুরী। আমি সকালের মিষ্টি রোদ গায়ে লাগাতাম, কারণ মিষ্টি রোদে প্রচুর ভিটামিন "ডি" রয়েছে। ভিটামিন "ডি" রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ওজন কমাতে এবং ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কমাতে সহযোগিতা করে এবং ভিটামিন "ডি" রাতের ঘুম ভালো হওয়াতে সহযোগিতা করে।ডায়েটের প্রথম ৭ দিন আমি সকাল ৯ টায় বুলেট কফি খেতাম। প্রথম ৭ দিন আমি দুপুরের খাবার দুপুর ১ টায় খেয়েছি। খাবার আগে এক গ্লাস পানিতে দুই টেবিল চামচ Apple cider vinegar, দুইটি লেবুর রস, এক টেবিল চামচ জীরার গুড়া ও আদার রস মিশিয়ে খেয়েছি। জীরার গুড়া ও আদার রস খাওয়ার কারণ হলো, কিটো ডায়েটের শুরুতে আমার একটু গ্যাসের সমস্যা হচ্ছিলো। আমার গ্যাসের সমস্যার কারণ হিসেবে বুঝতে পারি আমাদের দেশীয় চিনা বাদাম সরিষার তেল দিয়ে ভাজার পর লাল খোসা সহ খাওয়ার জন্য। ডায়েট শুরুর কিছুদিন পর থেকে বাদামের লাল খোসা ফেলে দিয়ে খাওয়া শুরু করি। দুপুরের খাবারে আমি দুইটা হাসের ডিম সরিষার তেল দিয়ে ভেজে খেতাম সাথে থাকতো দুই বাটি সবজি ও ১৫০ গ্রাম মাছ , মাছ হিসেবে আমি যে মাছ খেতাম তাতে প্রতি ১০০ গ্রাম মাছে ১৫ গ্রাম প্রোটিন থাকতো। বিকাল ৪ টায় আমি গ্রীন টি খেতাম। সন্ধ্যা ৬ টায় ৭০ গ্রাম বাদাম সরিষার তেল দিয়ে ভেজে খেতাম। সাথে থাকতো ৬০ গ্রাম মাছ ও এক বাটি সবজি । সন্ধ্যা ৬ টায় খাওয়ার আগে Apple cider vinegar, দুইটা লেবুর রস, জীরার গুড়া এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতাম । সাতদিন পর থেকে আমি রোযা থাকা শুরু করি। রোযা শুরুর পর থেকে আমি ইফতারে ১৫০ গ্রাম মাছ, দুই বাটি সবজি ও ৫০ গ্রাম বাদাম এবং দুইটা হহাসের ডিম সরিষার তেল দিয়ে ভেজে খেতাম। রাতে একবার গ্রীন টি খেতাম। সেহরীর সময় হিমালিয়ান পিংক সল্ট এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতাম।ইফতারের ২ ঘন্টা পর গ্রিন টি খেতাম এবং মাঝে মাঝে রাতে বুলেট কফি খেতাম।প্রবায়োটিক্স হিসেবে আমি সপ্তাহে একদিন রাতে "kefir" খেতাম। "kefir" টকদই এর মত কিন্তু "kefir" এ চিনির পরিমান কম।প্রতি ১০০ গ্রাম "kefir" এ ৩ গ্রাম চিনি রয়েছে।এভাবে ডায়েট ও রোজার মাধ্যমে আমি প্রথম মাসে ১৩ কেজি ওজন কমিয়েছিলাম। কিটো ডায়েটের প্রথম দিকে আমার চুল একটু বেশি উঠে যাচ্ছিলো। চুল উঠে যাওযার কারণ আমি অন্য কোনদিন জানাবো।
ধন্যবাদ
আসসালামু আলাইকুম
আমার নাম আব্দুল্লাহ আল সিয়াম। আমার উচ্চতা ৬"১। আমার জেলা বগুড়া। কিটো ডায়েট ও রোজার মাধ্যমে আমি আমার ৬০ কেজি ওজন কমিয়েছি। আমার ওজন ছিলো ১৪০ কেজি। ৮ মাস কিটো ডায়েট ও রোজা করার পর আমার ওজন হয়েছিলো ৮০ কেজি। এখন আমার ওজন ৮২ কেজি। এ গ্রুপের অনেকেই আমার ডায়েট চার্ট সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজ আমি আপনাদের আমার ডায়েট চার্ট সম্পর্কে বলবো। আমি কিটো ডায়েট সম্পর্কে জানতে পারি Dr.Eric Berg এর ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে ২০১৮ সালের জানুয়ারী তে। কিটো ডায়েটে খাবারের ৭০% চর্বি খেতে হয়। এ জন্য আমি প্রথম দিকে কিটো ডায়েট করতে ভয় পাচ্ছিলাম। আমি কিটো ডায়েট শুরু করি ২০১৯ এর জানুয়ারি থেকে। আমার ৬০ কেজি কমাতে ৭ থেকে ৮ মাস সময় লেগেছে। আমি সর্বমোট ৬৫ কেজি ওজন কমিয়েছিলাম। পরবর্তীতে আমি ৭ কেজি ওজন বাড়িয়েছি। আমি প্রতিদিন ফজরের নামাজ পরি। রাত ৪ টা থেকে সূর্য উঠা পর্যন্ত মানুষের শরীরে হরমোনের পরিবর্তন হয়। যার কারণে এ সময় জেগে থাকা জরুরী। আমি সকালের মিষ্টি রোদ গায়ে লাগাতাম, কারণ মিষ্টি রোদে প্রচুর ভিটামিন "ডি" রয়েছে। ভিটামিন "ডি" রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ওজন কমাতে এবং ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কমাতে সহযোগিতা করে এবং ভিটামিন "ডি" রাতের ঘুম ভালো হওয়াতে সহযোগিতা করে।ডায়েটের প্রথম ৭ দিন আমি সকাল ৯ টায় বুলেট কফি খেতাম। প্রথম ৭ দিন আমি দুপুরের খাবার দুপুর ১ টায় খেয়েছি। খাবার আগে এক গ্লাস পানিতে দুই টেবিল চামচ Apple cider vinegar, দুইটি লেবুর রস, এক টেবিল চামচ জীরার গুড়া ও আদার রস মিশিয়ে খেয়েছি। জীরার গুড়া ও আদার রস খাওয়ার কারণ হলো, কিটো ডায়েটের শুরুতে আমার একটু গ্যাসের সমস্যা হচ্ছিলো। আমার গ্যাসের সমস্যার কারণ হিসেবে বুঝতে পারি আমাদের দেশীয় চিনা বাদাম সরিষার তেল দিয়ে ভাজার পর লাল খোসা সহ খাওয়ার জন্য। ডায়েট শুরুর কিছুদিন পর থেকে বাদামের লাল খোসা ফেলে দিয়ে খাওয়া শুরু করি। দুপুরের খাবারে আমি দুইটা হাসের ডিম সরিষার তেল দিয়ে ভেজে খেতাম সাথে থাকতো দুই বাটি সবজি ও ১৫০ গ্রাম মাছ , মাছ হিসেবে আমি যে মাছ খেতাম তাতে প্রতি ১০০ গ্রাম মাছে ১৫ গ্রাম প্রোটিন থাকতো। বিকাল ৪ টায় আমি গ্রীন টি খেতাম। সন্ধ্যা ৬ টায় ৭০ গ্রাম বাদাম সরিষার তেল দিয়ে ভেজে খেতাম। সাথে থাকতো ৬০ গ্রাম মাছ ও এক বাটি সবজি । সন্ধ্যা ৬ টায় খাওয়ার আগে Apple cider vinegar, দুইটা লেবুর রস, জীরার গুড়া এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতাম । সাতদিন পর থেকে আমি রোযা থাকা শুরু করি। রোযা শুরুর পর থেকে আমি ইফতারে ১৫০ গ্রাম মাছ, দুই বাটি সবজি ও ৫০ গ্রাম বাদাম এবং দুইটা হহাসের ডিম সরিষার তেল দিয়ে ভেজে খেতাম। রাতে একবার গ্রীন টি খেতাম। সেহরীর সময় হিমালিয়ান পিংক সল্ট এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতাম।ইফতারের ২ ঘন্টা পর গ্রিন টি খেতাম এবং মাঝে মাঝে রাতে বুলেট কফি খেতাম।প্রবায়োটিক্স হিসেবে আমি সপ্তাহে একদিন রাতে "kefir" খেতাম। "kefir" টকদই এর মত কিন্তু "kefir" এ চিনির পরিমান কম।প্রতি ১০০ গ্রাম "kefir" এ ৩ গ্রাম চিনি রয়েছে।এভাবে ডায়েট ও রোজার মাধ্যমে আমি প্রথম মাসে ১৩ কেজি ওজন কমিয়েছিলাম। কিটো ডায়েটের প্রথম দিকে আমার চুল একটু বেশি উঠে যাচ্ছিলো। চুল উঠে যাওযার কারণ আমি অন্য কোনদিন জানাবো।
ধন্যবাদ




0 Comments