Header Ads Widget


 

ঈদের ছলাতের জায়গার জন্য একটা ফ্রি খোলা ফাকা মাঠ থাকতে হবে।

 সেই মাঠকে এরা নাকি আবার বউ সাজা করে সাজাচ্ছে। ঈদের মাঠ নাকি বাসর ঘর। মাথায় গোবর ঢুকলে এগুলা হয়।

আপনি ঈদের মাঠকে এভাবে সাজাচ্ছেন কেনো?

রাসূল (সা:) মসজিদে নববীকে ছেড়ে চলে গেলেন ৫০০ থেকে ১০০০ গজ দূরে খোলা মাঠে ছলাত আদায়ের জন্য। আপনি এইভাবে তাকে ফুল দিয়ে আর ছামিয়ানা দিয়ে আর বিভিন্নভাবে রঙ তামাশা দিয়ে সাজাচ্ছেন কেনো? আশ্চর্য। শরীয়ত কি নিজের ব্যেপার? ব্যক্তিগত স্বাধিনতাতেই চলে?

বহুবার আপনাকে বলেছি শরিয়ত তো এদেশের নেতা-নেত্রীর হাতের মতো নয় ইচ্ছামত তারা ইবাদত করবে কবরের পাশে গিয়ে আপনি ইচ্ছামত ইবাদত করবেন ঈদের মাঠে গিয়ে তা হয় না। রাসূল (সা:) ঈদুল আযাহা এবং ঈদুল ফিতর খোলা মাঠে যেতেন। তার প্রথম কাজ ছিলো ছলাত।

অবশ্যই ছলাতের পূর্বে কোনো কথা হবে না। কোনো চেয়ারম্যান কোনো মেম্বার কোনো এমপি কোনো হুজুর কোনো আলেম ওলামা ঈদের মাঠে গিয়ে ছলাতের পূর্বে মুখ খুলতে পারবেন না। মুখ খুললেই পাপ হবে। সেটাই হচ্ছে রাসূল (সা:)কে উপেক্ষা করা। তিনি ঈদের মাঠে প্রথম যে কাজ করতেন সেটা হল ছলাত। আপনি কেনো অন্য কিছু করতে চাচ্ছেন? কি বুঝাতে চাচ্ছেন?

 সম্মানীত মসজিদের মুসল্লি
বলছিলাম: ঈদের মাঠে আসেন আসেন ছলাত শুরু হতে যাচ্ছে এরকম কথা বলা বিদ'আত। ঈদের মাঠে ছলাতের আগে বক্তব্য দেওয়া বিদ'আত। কোনো আলেম ওলামা কোনো নেতা ঈদের মাঠে গিয়ে আগেই কিছু বলবেন এটা নাজায়েজ হারাম। এগুলা করা যাবে না। ঈদের মাঠে গিয়ে প্রথমেই দু'রাকাত ছলাত হবে এরপরে বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হবে এটাই সুন্নাত। ঈদের ছলাতে যেই রাস্তায় গিয়েছেন সেই রাস্তা দিয়ে ছাড়া অন্য রাস্তায় আসবেন এটাই সুন্নাত। তাকবীর পড়তে থাকবেন ঈদের মাঠে যেতে আসতে এটাই সুন্নাত। আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ। পুরুষ-নারী সবাই নিজ নিজ গতিতে তাকবীর পাঠ করবেন।

 মহিলাদেরকে ঈদের মাঠে যেতেই হবে তারা যেতে বাধ্য।

আবার কথার মাপ শুনে নেন: তারা ঈদের মাঠে যেতে বাধ্য। জুম'আ মসজিদে যাওয়া ভাল। ৫ ওয়াক্ত ছলাতে না যাওয়া ভাল। কারনবসত যদি কারো ঈদের ছলাত ছুটে যায় তাহলে বাড়িতে দূ'রাকাত ছলাত আদায় করে নিবে। সাত পাচ। বারো তাকবীরে।

 ১২ তাকবীরে ঈদের ছলাত হবে এটাই সুন্নাত। ৬ তাকবীরে ঈদের ছলাত আদায় করার হাদিস কিয়ামত পর্যন্ত প্রমান হবে না।

১২ তাকবীরে ঈদের ছলাত আদায় করতে হবে প্রমানে ২২টি হাদিস আছে

- শায়েখ আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ।

Post a Comment

0 Comments