Header Ads Widget


 

সাপে কাটার পর সাপটি বিষধর কিনা তা ৩টি উপায়ে জানা সম্ভব -

#সাপ🐍 
সবাই একটু সময় নিয়ে সম্পুর্নটা পড়বেন, 
আশা করি উপকার হবে। ধন্যবাদ। 

>>>আজকে সাপ নিয়ে সংক্ষেপে মূল কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করছিঃ----

যেহেতু এখন বর্ষাকাল চারিদিকে পানিতে প্লাবিত সেহেতু প্রায় সব ধরনের সাপ, পোকামাকড় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য স্থলে চলে আসতেছে।
আর বর্ষাকালে ও গরমকালে সাপের উপদ্রব সবথেকে বেশি এটা কারোরই অজানা নয়। এই সময়ে বাড়ির আঙিনায়, গর্তে, ঘরে, আনাচে-কানাচে, ঝোপেঝাড়ে, রাস্তাঘাটে, খড়ের স্তুপ, জ্বালানির স্তুপ সহ বিভিন্ন জায়গায় সাপেরা অবস্থান করে এবং প্রায় মানুষ ই কমবেশি সাপের সম্মুখীন হন,  অনেকে কামড় ও খেয়ে থাকেন।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান এবং অনেক মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেন। 

আমাদের এ দেশে পায় শতাধিক প্রজাতির সাপ রয়েছে। যার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ সাপ বিষধর, কিছুসংখ্যক স্বল্পবিষধর, আর বাকি সাপগুলো বিষহীন। আর এই বিষধর সাপের অর্ধেকের বেশিই সমুদ্রে, বনে, পাহাড়ে বাস করে যা সহজে মানুষের সংস্পর্শে আসে না,  আর কিছু সাপ বিলুপ্ত যাদের দেখা যায় না। সাধারণত লোকালয়ে ৩-৪ প্রজাতির কমন কিছু সাপ দেখা যায়, যাদের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হয়। আর ২-৩ প্রজাতির বিষধর সাপ আছে অঞ্চল ভেদে  যাদের ২,১ টার দেখা মেলে। 

সাধারণত লোকালয়ের কমন বিষধর সাপগুলো হচ্ছেঃ-
১. Spectacled cobra (গোখরা)
২. Monocled cobra (কেউটে)
৩. Common krait (কালাচ)
৪. Russell's viper (চন্দ্রবোড়া)
(এলাকা ভেদে এদের ২ বা ততোধিক নাম বা ভিন্ন কোনো নাম ও হতে পারে।)
এসব সাপের মধ্যে কয়েকটির আবার উপপ্রজাতিও রয়েছে। (যেমন : cobra, krait, viper এর আকৃতি রং ভিন্নতার কারণে আরো কিছু নাম রয়েছে।)
গোখরা, কেউটে ও কালাচ প্রজাতির সাপগুলো হচ্ছে নিউরোটক্সিন বিষ সমৃদ্ধ। 
আর viper বা বোড়া প্রজাতির সাপগুলো হচ্ছে হোমোটক্সিন বিষ সমৃদ্ধ।

=>সাপে কাটার পর সাপটি বিষধর কিনা তা ৩টি উপায়ে জানা সম্ভব - 
 ১. সাপটিকে শনাক্তকরণের মাধ্যমে।
 ২. কামড়ের জায়গায় বিষ দাঁতের চিহ্ন দেখে। বিষধর সাপে কামড়ালে ২ টি দাঁতের স্পষ্ট ক্ষত দেখা যায়।  
আর যদি চোয়ালের চারোদিকে সারি সারি অনেকগুলো দাঁতের কামড় দেখা যায় বা খাবলে মাংস ছিড়ে ফেলে তাহলে সেটা বিষধর সাপের কামড় নয়। ( যেমন: পানিতে বাস করা ঢোড়া সাপ)। 
৩. বিষের কারণে সৃষ্ট লক্ষণ দেখে৷ 

কালাচ সাপটা একটু ব্যতিক্রম। কারন,  অন্যান্য সাপ মানুষদের থেকে একটু দুরে থাকলেও  কালাচ সাপ তা থাকে না।  কালাচ সাপ রাতে ঘুমন্ত মানুষের কাছে চলে আসে, এটা কোনো কিছু বেয়ে বেয়ে বিছানার উপরে চলে আসতে পারে,  মানুষ যখন নড়াচড়া করে বা সাপের শরীরে স্পর্শ লাগে  ঠিক তখনই এই সাপে কামড়ে দেয়। অন্যান্য বিষধর সাপের কামড়ের ক্ষত স্পষ্ট বোঝা গেলেও কালাচ সাপের কামড় বোঝা যায় না কারন এর বিষদাঁতগুলো মশার হোলের মতো খুবই তিক্ষ্ণ।  অন্যান্য সাপ দিনের বেলায় দেখা গেলেও কালাচ সাপকে রাত ছাড়া দেখা যায় না। এরা খুবই নাজুক  এরা রাত ছাড়া বের হয় না। অন্যান্য বিষধর সাপের তুলনায় এই সাপের মাথা ও ফণা যথেষ্ট ছোট। 

*মানুষদের দেখে সাপ পালিয়ে যায়। সাপ সহজে কাউকে আক্রমণ করে না। সাপ যখন খুব ভয় পায় বা আঘাত লাগে তখনই সাপ আক্রমণ করে।

===>বিষধর সাপে কামড়ের লক্ষনঃ
 সব বিষধর সাপের কামড়ের লক্ষন একরকম না।  সাপ ভেদে, বিষ প্রয়োগের মাত্রা ভেদে, বয়স, স্বাস্থ্য, লিঙ্গ ভেদে ভিন্ন ভিন্ন রকমের লক্ষন দেখা দিতে পারে। 
তারপরও কমন কিছু লক্ষন বলার চেষ্টা করছি :-

১. ক্ষতস্থানে যন্ত্রণা হওয়া ও লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে উঠা।  
২. দুর্বল হয়ে উঠা, ঝিমিয়ে পরা। 
৩. মাথায় যন্ত্রণা হওয়া। 
৪. চোখে ঝাপসা দেখা,  চোখ ছোট হয়ে আসা।
৫. দম বন্ধ হয়ে আসা,  শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। 
৬. বমি বা বমির ভাব হওয়া। 
৭. অবশভাব হওয়া,  হাত পা শরীর অসার হয়ে আসা। 
৮. ঘুম ঘুম ভাব হওয়া। 
৯. হার্টবিট বেড়ে যাওয়া।
১০. ঢোক গিলতে ও কথা বলতে অসুবিধে হওয়া।
১১. মাংসপেশিতে টান অনুভূতি হওয়া। 
মাঝে মাঝে ডায়রিয়া হওয়া ও বিভিন্ন জায়গা দিয়ে ( চোখ, নাক) রক্তক্ষরণ হওয়া ইত্যাদি।

===>বিষধর সাপে কামড়ালে করনীয়ঃ-

১.আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশ্বস্ত করতে হবে ভয় পাওয়া যাবেনা,  দুশ্চিন্তা করা, ঘাবড়ানো বা আতংকিত হওয়া যাবেনা । এতে করে হার্টবিট বেড়ে যাবে এবং বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। মনে রাখতে হবে,  সাপে কামড়ালে বেশিরভাগ মানুষ কিন্তু হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান।
২. রোগীকে মেন্টালি সাপোর্ট দিন।। 
৩. আক্রান্ত স্থান এবং রোগীকে বেশি  নাড়াচাড়া এবং হাটাচলা করানো যাবেনা। এতে ব্লাড সার্কুলেশন বেশি হবে ফলে দ্রুত বিষ সারা দেহে ছড়িয়ে পরবে। 
৪.সাপে কাটলে আংটি, চুড়ি, ব্রেসলেট ইত্যাদি থাকলে তা খুলে ফেলবেন। কিছু সাপের বিষে আপনার আঙ্গুল, হাত বা পা ফুলে যেতে পারে। আংটি বা চুড়ি থাকলে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে পঁচন ঘটতে পারে।
৫. আক্রান্ত স্থানের উপরে এমনভাবে বাধবেন যেনো কমপক্ষে হাতের ২ টি আংগুল ভেতর দিয়ে প্রবেশ করানো যায়। ভুলেও আঁটসাঁট করে বাধবেন না। আঁটসাঁট করে বাধলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে যার ফলে হাত পা প্যারালাইজড হয়ে গিয়ে পঁচে যাবে। পরে হাত পা কেঁটে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। 
৬. যতদ্রুত সম্ভব ১০০ মিনিটের মধ্যে হসপিটালে নিয়ে যেতে হবে। ( যেসব হসপিটালে এন্টিভেনম ও আইসিইউ সাপোর্ট আছে)। 
মনে রাখবেন,  সাপের বিষের একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে এন্টিভেনম।
যদি সম্ভব হয়, যে সাপে কামড়েছে সেটিকে চিহ্নিত করুন এতে চিকিৎসা দিতে সুবিধা হবে। 
কিন্তু ভুলেও সাপ খুজতে গিয়ে বা মারতে গিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। মনে রাখবেন, সাপে কাটার পর প্রত্যেকটা সেকেন্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
৭. ভুলেও ওঝা,  সাপুরে,  ফকিরদের কাছে যাবেন না। ওঝা,  সাপুরে, ফকির এরা কেউই সাপের বিষ নামাতে পারে না। সবই এদের ভান্ডামি। এদের কেরামতি হচ্ছে বিষহীন সাপ নিয়ে এবং ড্রাই বাইট নিয়ে। ( ড্রাই বাইট হচ্ছে বিষধর সাপে কামড় দিবে ঠিকই কিন্তু বিষ প্রয়োগ করবে না। আর সব কামড়ে সাপ তার বিষ প্রয়োগ করে না কারন সে জানে, এই বিষ তার শিকার করার জন্য ও আত্মরক্ষার জন্য কতটা দরকারী)
[অনেক বড় বড় ওঝা ফকিরেরাও কিন্তু সাপের কামড়ে মারা যায়]
*সাপের কামড়ে মৃত্যুর ৯৯% ই হয়ে থাকে ওঝার কাছে যাওয়ার কারণে। 

আবারও বলতেছি,  বিষধর সাপের একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে এন্টিভেনম। 
বিষাক্ত সাপে কাটলে আপনি বাঁচতে পারেন একটামাত্র পথ অনুসরণ করলে। সেটা হলো: দুনিয়ার কারো উল্টাপাল্টা মতামত নিবেন না, এক সেকেন্ড সময়ও নষ্ট না করে সরাসরি হাসপাতালে যাবেন।
৮. বাংলা সিনেমার মতো মুখ দিয়ে চুষে বিষ নামাতে যাবেন না। 
৯. সাপে কাটা স্থানে কোনো কিছু দিয়ে কাটাকাটি করবেন না। কাটাকাটি করলেন তো আপনি নিজেই নিজের হাতে  বিষ রক্তের মাধ্যমে সারা দেহে ছড়িয়ে দিলেন।

===>সতর্কতাঃ- 
সাপের কামড় থেকে বাঁচতে সাবধান থাকুন এবং পরিপূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করুন।
- বাড়ির আঙিনা, আশেপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখুন।
- ঘরের আশপাশ, কোনাকানি পরিষ্কার রাখুন। 
- রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় চোখ কান খোলা রাখুন। রাতে চলাচলের সময় অবশ্যই লাইট, লাঠি সাথে রাখুন। লাঠি দিয়ে শব্দ করতে করতে চলুন। ( আপনি যদি শব্দ করে হাঁটেন, সে বুঝতে পারে। সাপের বুকের তলায় খোলসের রঙ আলাদা। সেখানে বিশেষ স্নায়ুতন্তু থাকে। মাটির কম্পন বুঝতে পারে। আপনি কতদুরে আছেন, আপনি সাইজে কতবড়, সে বুঝতে পারে। পালিয়ে যায়।)
- যেকোনো ধরনের ঘরে, বাথরুমে, টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে কোনো কিছু দিয়ে শব্দ করে তারপর প্রবেশ করুন।
- ঘুমানোর পূর্বে বিছানা ও তার আশপাশ , চাদর বা কাঁথা, বালিশ, মশারী ভালোভাবে দেখে ঝেড়ে নিন।
- ঘুমানোর পূর্বে অবশ্যই অবশ্যই মশারী টানিয়ে ঘুমাবেন। এমনভাবে টানাবেন যাতে করে সাপ বা পোকামাকড় ঢুকার কোনো ওয়ে না থাকে।
- জুতা, জামাকাপড় পরিধান করার পূর্বে ভালোভাবে দেখে ঝেড়ে নিবেন।
- বাড়িতে, ঘরে, ঘরের আশেপাশে কোথাও কোনো ইঁদুরের গর্ত থাকলে তা বুজিয়ে ফেলুন।
- মাটিতে, মেঝেতে বা নিচে ঘুমাবেন না।
-বাড়িতে খড়ের গাদা, লাকড়ির স্তুপ থাকলে আপনার মা, বোন, স্ত্রীকে সতর্ক করে দিন। খড় বা লাকড়ি নেবার আগে সেখানে লাঠি দিয়ে কিছুক্ষণ শব্দ করুন। সাপ থাকলে চলে যাবে।

*যদি কখনো কনফিউজড হয়ে যান বা বুঝতে না পারেন যে বিষধর সাপে কামড়েছে নাকি বিষহীন সাপে কামড়েছে তাহলে ডিরেক্ট হাসপাতালে চলে যান। সেখানে ২৪ ঘন্টা অবজারভেশনে থাকলে আপনার কোনো ক্ষতি হবেনা বরং ভালোই হবে।

===>সাপ নিয়ে কুসংস্কার বা ভুল ধারণাঃ-

১. দাঁড়াশ সাপের লেজে বিষ রয়েছে, লেজে কাঁটা আছে, লেজ দিয়ে বারি দিলে বিষ উঠে-

না, এসব সম্পুর্ন ভুল ধারণা। এরা বিষহীন সাপ এবং খুবই শান্ত প্রকৃতির সাপ। এরা মানুষের কোনো ক্ষতি করে না বরং দাঁড়াশ সাপকে কৃষকের বন্ধু বলা হয়। কারন, এই সাপ  খেতের ক্ষতিকারক ইঁদুর ও অন্যান্য পোকামাকড় ভক্ষণ করে যার ফলে কৃষক তার ফসল ঘরে তুলতে পারে। তা না হলে জমিতে কোনো ফসলই ফলাতে পারতো না।
সো, দাঁড়াশ সাপ মারবেন না।

২. বীণ বাজালে সাপ আসে এবং বীণ শুনে সাপে নাচে— 

একেবারে ভুল কথা। জেনে রাখুন, সাপের কোনো কান নেই। শোনার জন্য এরা ঘনঘন জিহবা বের করে। এমনকী দৃষ্টিশক্তিও প্রখর নয়। যারা বীণ বাজান, তারা সেটি সাপের মুখের সামনে দোলাতে থাকেন। সাপও চোখের সামনে দুলুনি দেখে মাথা দোলাতে থাকে এই ভেবে যে, কোনও শত্রু তাকে আঘাত করতে আসছে।

৩. সাপে দুধ খায়— 

সর্বনেশে ধারণা। 
মনে রাখবেন, সাপ শীতল রক্তের প্রাণী, মাংসাশী এবং স্তন্যপায়ী নয়। ফলে সাপের পক্ষে দুধ হজম করা অত্যন্ত কঠিন। দুধ সাপের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। সাপ মারাও যেতে পারে। যে সব সাপকে দুধ খেতে দেখেন, তারা মূলত সাপুড়েদের সাপ। নাগপঞ্চমীর আগে সাপগুলিকে নাগাড়ে মাসখানেক প্রায় জল না-খাইয়ে রাখা হয়। তার পরে মুখের সামনে দুধ ধরা হয়। বাধ্য হয়েই সাপেরা সেই দুধ খেয়ে নেয়।
ন্যাচারালি সাপ কখনো দুধ খেতে যাবেনা।

৪. সাপ মানুষকে তাড়া করে—

 মনে রাখুন, সাপ মানুষের শত্রু নয়। বরং উল্টোটাই সত্যি। সাপের সামনে পড়ে গেলে যদি দৌড়ে পালাতে যান বা বেশি লাফালাফি করেন, তাহলে সাপ আত্মরক্ষার্থে তেড়ে আসতে পারে। চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকুন। দেখবেন, সাপ আপনাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে।

৫. সাপ তার শত্রুকে চিনে রাখে এবং পরে প্রতিশোধ নিতে আসে— 

এটা কেবল নিম্নমানের কিছু সিনেমাতেই সম্ভব। 
একটা সাপকে মারলে তার জোড়া সঙ্গী কখনোই আপনাকে খুঁজে দংশন করতে আসবে না। সাপের স্মৃতিশক্তি খুবই দূর্বল। সাপ বাংলা সিনেমার স্বর্পরাজ শাকিব খান কিংবা নাগিন মুনমুন নয়। যে সঙ্গীহারার প্রতিশোধ নিতে ছুটে আসবে। সাপ নিম্নজাতের প্রাণি। এদের মধ্যে রিভেঞ্জ বলে কিছু নাই।

৬. ফুলের গন্ধে সাপ আসে- 

না,  ফুলের গন্ধে সাপ আসে না। মনে রাখবেন, সাপের ঘ্রাণশক্তি খুবই দূর্বল। সে গন্ধ পায় না।
সুগন্ধি ফুলে পোকামাকড় আকৃষ্ট হয় বেশি। পোকা খেতে ব্যাঙ আসে। ব্যাঙ খেতে মাঝেমাঝে সাপ আসতে পারে। খাবার পর মানুষের মত সাপও ক্লান্ত হয়। মানুষ খাবারের পর যেমন আয়েশ করে ঘুমায় তেমনই সাপও ফুলগাছ তলায় ঘুমুতে পারে।

৭. সাপ বুড়ো হলে গোঁফ-দাড়ি গজায়—

সাপের গায়ে লোম আসবে কোত্থেকে? এর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন সম্ভবত নেই।

৮.ছোট সাপের বিষ নাই -

কথাটা ভুল। মনে রাখবেন, সাপের বাচ্চাও সাপ।

৯. সাপের মণি- 

সাপের মণি বলতে কিছু নেই। সাপুড়েরা তাদের মার্কেটিং করতে মানুষকে বিভ্রান্ত করে, নানারকমের চটকদার কথা বলে, ভণ্ডামি করে, চিকিৎসার কথা বলে, তাবিজের কথা বলে আপনার কাছ থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়। 
আর মানুষজনও এইসব বিশ্বাস করে অনেক টাকা দিয়ে দেন এবং পরে আফসোস করতে হয়।
[কখনও সাপুড়েদের ছায়াও মাড়াবেন না]

#নিজে_সতর্ক_থাকুন_অপরকেও_সতর্ক_করুন


Post a Comment

0 Comments