Header Ads Widget


 

ভাস্কর্য বা মূর্তি এবং আমার অবস্থানঃ উস্কানি নয় সত্য তুলে ধরার প্রচেষ্টা

 ভাস্কর্য বা মূর্তি এবং আমার অবস্থানঃ

উস্কানি নয় সত্য তুলে ধরার প্রচেষ্টা।

কারন-

আমি নাগরিক।

আমি সার্বভৌম।

আমার কথা বলার অধিকার আছে।

আমার ন্যায্য অধিকার চাওয়ার অধিকার আছে।


আওয়ামীগকে ভালোবাসি কিন্তু তার ভাস্কর্য বা মূর্তিকে নয়।

শেখ হাসিনাকে ভালোবাসি কিন্তু তার দলের দূর্নীতিবাজ, দালাল,  নেশাখোরদের নয়।

আওয়ামীলীগকে ভালোবাসি কিন্তু ঈমান বিক্রি করে নয়।


আওয়ামীলীগ এবং বঙ্গবন্ধুকে সত্যিকার ভালোবাসি বলেই, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের পক্ষে নই।

আজকের ভাস্কর্য বিতর্ক আগামীর নির্বাচন গুলোতে প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা রয়েছে। 

তাই সরকারকে ভেবে চিন্তে পা ফেলতে হবে। 

যারা ভাস্কর্যের পক্ষে তারা চায় না বঙ্গবন্ধু কবরে ভালো থাকুক।

তারা পদ পাবার আশায়, স্বার্থ হাসিলের জন্য বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের পক্ষে কথা বলে।

সরকারকে বেকায়দায় ফেলার একটা ষড়যন্ত্র মনে হচ্ছে।


ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়৷


যারা হক্কানী আলেমদের সাথে বেয়াদবি করে তারা নিঃসন্দেহে জারজ সন্তান।

যারা বলছেন মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয়, তারা ভুল বলছেন অথবা সত্যকে আড়াল করতে চাইছেন। এটি কোরআন ও সুন্নাহকে অমান্য করা। অন্য কোনো মুসলিম দেশে ভাস্কর্য থাকলেও উদাহরণ দিয়ে ভাস্কর্যকে জায়েজ করা যাবে না।

কিছু মুর্খ আছে যারা অন্যান্য ইসলামিক দেশের ভাস্কর্য আছে বলে, ভাস্কর্যকে জায়েজ মনে করেন।

ঐ দেশের আলেমের কাছ থেকে ফতোয়া নেন, তারা ভাস্কর্য সাপোর্ট করে কিনা।

সারা পৃথিবীর আলেমগণ একমত, ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

অন্য দেশের সাথে তুলনা দিয়ে লাভ নাই, কুরআন, হাদিসে যা আছে তাই মানতে হবে।


অনেকেই বলেন মুজিব শতবর্ষে এসে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন কেন, ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন শুধু এখন নয় আগে থেকেই চলে আসতেছে।

এর আগে হাইকোর্টের সামনে মূর্তি সরানোর আন্দোলন হয়েছে যা এই দেশের সচেতন মানুষ অবগত রয়েছেন।


যারা বুঝেও না বোঝার ভান করেন তাদেরকে জাহেল বলা ছাড়া আর কিছুই করার নেই।


এদেশের সাধারণত মানুষ এবং আলেমরা রাতের শেষ ভাগে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে মহান রবের কাছে দুই হাত তুলে কান্না করে, যেন বঙ্গবন্ধু সহ সকল কবর বাসির কবরের আজাব মাফ হয়। কিছু বাটপার আর কিছু কুলাংগার বঙ্গবন্ধুর কবরের আজাব বাড়ানোর জন্য নাচানাচি করতেছে এরাই আসলে খন্দকার মোস্তাক এর উওরসুরি এরাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকারকে বিপদে ফালানোর জন্য যথেষ্ট এদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্তা নেওয়া দরকার।

ভাস্কর্য বানালে শেখ মুজিবের পরকাল কষ্ট দায়ক হবে, সেটা জেনেও,

তোমরা তেলবাজি করো শুধু পদ পাবার আশায় আর আমরা ভাস্কর্যের বিরোধিতা করি শুধুই শেখ মুজিবর রহমানের রূহের মাগফিরাতের জন্য! আমি বা আমরা শেখ মুজিব কে ভালবাসি এবং তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেনো উনাকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা দান করেন।

তোমরা তো শাহরিয়ার কবিরদের আওলাদ তাই মুজিবর রহমানের ভাস্কর্য বানিয়ে উনার কবরের আযাব বাড়ানোর পায়তারা কর!


আর তোমাদের মত জাহেল দের কাছে থেকে এর চেয়ে ভাল কিছু আশা করা যায় না।

ভাই, উপাসনা করার জন্য মূর্তি বানানো আর সৌন্দর্যের জন্য বা সম্মান জানিয়ে বানানো এক বিষয় নয় এটা হয়তো সত্য।

কিন্তু ইসলামে এই দুইভাবে সহ কোন ভাবেই বা কোন উদ্দেশ্যেই মানুষ/প্রাণীর মূর্তি/প্রতিকৃতি বানানো জায়েজ নয় এটা নিশ্চিত সত্য।


ইসলামে মূর্তির কোন স্থান নাই আর মূর্তির নামে ভাস্কর্যেরও কোন স্থান নাই। আপনারা হয়তো ইসলাম প্রেমিকদের ভয় দিয়ে পিছীয়ে দিতে চান। তবে মনে রাখবেন আল্লাহ ছাড় দেয় ছেড়ে দেয় না।  আল্লহর কৌশল এর কাছে ইবলিশ শয়তান এর ষড়যন্ত্র কিছুই না।


যদি বিশ্বাস না হয় একবার মরে দেখেন আল্লাহর বিচার এই দুনিয়ার বিচার এর মতো নয়। আল্লাহ হলেন ইনসাফ ও ন্যায়বিচার কারী।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমাদের বুঝিয়ে দিতে হবে মূর্তি তৈরি মানে বাবাকে কবরে আযাবের রাস্তা তৈরি করা যা আমরা মেনে নিতে পারব না । বাঙ্গালী জাতি যাকে ভালবাসে যার জন্য সবাই দোয়া করে ,যার জন্য উনি আজ প্রধানমন্ত্রী ,সামান্য কিছু মানুষের কথা শুনে বঙ্গবন্ধুকে কষ্ট দেওয়া খুবই দুঃখজনক ।


আমার বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর কবর কষ্ট দায়ক হয়, এমন কিছু, কুরআন, সুন্নাহ বিরোধী কোন কাজ যেন না করা হয়।

তাহলে আমার বিশ্বাস কতিপয় কুলাঙ্গার হিসাব করে কথা বলবে। 


এই মহান নেতা বাংলাদেশের সকল মানুষের হৃদয়ের মাঝে এবং ইতিহাসের পাতায় লিখা  আছে।বঙ্গবন্ধুর নামে এমন ভাঙ্কর্য বানাতে হবে যাহা শরিয়ত সম্মত। ওনার নামে বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মসজিদ বানান। ইসলাম বিরোধী নয় এমন কিছু বানান আল্লাহ ওনাকে এর উওম পতিদান দিবেন।

"ইনশাআল্লাহ"


সেই সাথে সারাদেশের অন্যান্য সকল শরিয়ত বিরোধী ভাস্কর্য বা মূর্তি অপসারণের জন্য বিনীত আহবান জানাচ্ছি। 

সেই সাথে হিন্দু সহ অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ে  ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত  করা সরকার এবং মুসলমানদের  দায়িত্ব।


সর্বশেষ কতিপয় ধর্ম ব্যাবসায়ী হতে আমাদের সকলের সতর্ক থাকতে হবে। 


✅আল্লাহ ছাড় দেয় ছেড়ে দেয় না।✅


লেখায় ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

From FB



Post a Comment

0 Comments